“কুষ্টিয়ায় ৬ যুবক-যবতি আটক” কেন? কি এমন কাজ করেছেন তারা

বাংলা অলটাইম নিউজ ডট কম : কুষ্টিয়ায় অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ৩ জোড়া যুবক-যুবতীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকের পর ওই যুবক যুবতীদের ছাড়িয়ে নিতে ৫০ হাজার টাকা চুক্তিতে আসামীদের পক্ষে থানায় গিয়ে তদবিরে নামে এক কতিত সাংবাদিক। সে গভীর রাত পর্যন্ত থানায় বিভিন্নভাবে দেনদরবারের ব্যর্থচেষ্টা চালায়।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে কুষ্টিয়ার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে কুষ্টিয়া শহরের শাপলা মেনশন মোড় এলাকায় আমজাদ হোসেনের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালায় কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ। পরে ওই এলাকার আমজাদ হোসেনের বাড়ি থেকে ৩ জোড়া যুবক যুবতিকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় আটক করে পুলিশ। পরে তাদের থানায় নিয়ে আসা হয়।

এদিকে আসামীদের থানায় নিয়ে আসার পর পরই থানায় এসে প্রথমে আসামীদের সাথে দেখা করেন এবং আসামীর স্বজনদের সাথে কথা বলে আসামীদের ছাড়িয়ে নিতে মাঠে নামেন কুষ্টিয়ার কথিত এক সাংবাদিক। পরে আসামীদের ছাড়িয়ে নিতে বিভিন্নভানে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যর্থতদবির চালায় ওই কথিত সাংবাদিক। তবে সব তদবির ব্যর্থ করে অবশেষে মামলা দিয়ে আসামীদের সকালে আদালতে পাঠায় পুলিশ।

আসামীরা হলেন, মেহেরপুর, নতুনপাড়া এলাকার উজির আলীর ছেলে ফয়সাল (৩৪), পাবনা কাচারীপাড়া এলাকার মৃত আজহার এর ছেলে নাসিম(৩২), পাবনা গোবিন্দা এলাকার শামসুল ইসলামের ছেলে রিয়াদ (২৫), মেহেরপুর নতুনপাড়া এলাকার আজগর আলীর মেয়ে নাজমা খাতুন (৩৬), কুষ্টিয়া থানাপাড়া এলাকার মিরাজ শেখের মেয়ে জোনাকি খাতুন(১৯), মেহেরপুর নতুনপাড়া এলাকার লালু মিয়ার মেয়ে লাবনী খাতুন (১৮)।

একটি সূত্র জানায়, কথিত ওই সাংবাদিক একজন মাদক সেবী। বহু অপকর্মের হুতা, তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলাও রয়েছে। সে কোন চ্যানেলের রিপোর্টার না হয়েও কখনো কখনো বিভিন্ন চ্যানেলের লোগো নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ধান্ধাবাজি করে থাকে। এছাড়া থানায় কোন আসামী এলেই তাদের স্বজনদের সাথে চুক্তিতে তদবিরে নামেন ওই সাংবাদিক। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন জেলার কলম সৈনিকরা।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং আসামী ৬জনকে আটকের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সাথেই থাকুন বাংলা অলটাইম নিউজ ডট কম